রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন সড়কে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যানবাহন চলাচলের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে দুর্ঘটনার হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে অটো রিকশা ও মোটরবাইক এখন দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।
একাধীক স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অনেক অটো রিকশা চালকই কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই রাস্তায় নামছেন। এসব অপ্রশিক্ষিত চালকেরা হঠাৎ ব্রেক করা, উল্টো দিক দিয়ে গাড়ি চালানো, ব্যস্ত সড়কে বেপরোয়া ওভারটেকিংসহ নানা ঝুঁকিপূর্ণ আচরণে লিপ্ত থাকেন। ফলে সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা প্রতিনিয়ত বিপদের মুখে পড়ছেন।
এর পাশাপাশি সড়কে উঠতি বয়সী বাইকারদের আধিপত্যও ক্রমেই বাড়ছে। অনেক তরুণ বাইকার হেলমেট ছাড়া, গতি নিয়ন্ত্রণ না করে, স্টান্ট করতে গিয়ে কিংবা মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে করতে মোটরবাইক চালাচ্ছেন। ট্রাফিক আইন অমান্য করে দ্রুতগতিতে লেন পরিবর্তন ও প্রতিযোগিতামূলক রাইডিংয়ের ফলে দুর্ঘটনা বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে।
পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগ বলছে, নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও আইন প্রয়োগের চেষ্টা করা হলেও সচেতনতার ঘাটতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। অনেক চালকের বৈধ লাইসেন্স নেই, যানের ফিটনেস নেই, তারপরও তারা নির্বিঘ্নে সড়কে চলাচল করছে।
পরিবহন বিশেষজ্ঞদের মতে, অটোরিকশা চালকদের জন্য বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, উঠতি বয়সী বাইকারদের জন্য কঠোর নজরদারি, হেলমেট ব্যবহারে শিথিলতার অবসান এবং সড়কে গতি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সন্তানদের অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় মোটরবাইক চালাতে নিরুৎসাহিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
সাধারণ মানুষের মত, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সড়কগুলো আরও অনিরাপদ হয়ে উঠবে এবং প্রাণহানি অব্যাহত থাকবে।
এদিকে নিসচা রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট তৌফিক আহসান টিটু, সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, নগরীতে দূর্ঘটনা এড়াতে তারা মাসব্যপি ক্যাম্পেইন করছেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মানসম্মত হেলমেট পরিধান এবং নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলার গুরুত্ব তুলে ধরেন। পথচারী ও চালকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে লিফলেট বিতরণ করা হয় এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উৎসাহিত করা হয়। তারপরও কমছে না অটো রিকশা ও মোটরবাইক দূর্ঘটনা। তারা মূলত অসাবধানতা কেউ দায়ি করছেন।
একাধীক স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অনেক অটো রিকশা চালকই কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই রাস্তায় নামছেন। এসব অপ্রশিক্ষিত চালকেরা হঠাৎ ব্রেক করা, উল্টো দিক দিয়ে গাড়ি চালানো, ব্যস্ত সড়কে বেপরোয়া ওভারটেকিংসহ নানা ঝুঁকিপূর্ণ আচরণে লিপ্ত থাকেন। ফলে সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা প্রতিনিয়ত বিপদের মুখে পড়ছেন।
এর পাশাপাশি সড়কে উঠতি বয়সী বাইকারদের আধিপত্যও ক্রমেই বাড়ছে। অনেক তরুণ বাইকার হেলমেট ছাড়া, গতি নিয়ন্ত্রণ না করে, স্টান্ট করতে গিয়ে কিংবা মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে করতে মোটরবাইক চালাচ্ছেন। ট্রাফিক আইন অমান্য করে দ্রুতগতিতে লেন পরিবর্তন ও প্রতিযোগিতামূলক রাইডিংয়ের ফলে দুর্ঘটনা বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে।
পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগ বলছে, নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও আইন প্রয়োগের চেষ্টা করা হলেও সচেতনতার ঘাটতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। অনেক চালকের বৈধ লাইসেন্স নেই, যানের ফিটনেস নেই, তারপরও তারা নির্বিঘ্নে সড়কে চলাচল করছে।
পরিবহন বিশেষজ্ঞদের মতে, অটোরিকশা চালকদের জন্য বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, উঠতি বয়সী বাইকারদের জন্য কঠোর নজরদারি, হেলমেট ব্যবহারে শিথিলতার অবসান এবং সড়কে গতি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সন্তানদের অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় মোটরবাইক চালাতে নিরুৎসাহিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
সাধারণ মানুষের মত, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সড়কগুলো আরও অনিরাপদ হয়ে উঠবে এবং প্রাণহানি অব্যাহত থাকবে।
এদিকে নিসচা রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট তৌফিক আহসান টিটু, সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, নগরীতে দূর্ঘটনা এড়াতে তারা মাসব্যপি ক্যাম্পেইন করছেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মানসম্মত হেলমেট পরিধান এবং নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলার গুরুত্ব তুলে ধরেন। পথচারী ও চালকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে লিফলেট বিতরণ করা হয় এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উৎসাহিত করা হয়। তারপরও কমছে না অটো রিকশা ও মোটরবাইক দূর্ঘটনা। তারা মূলত অসাবধানতা কেউ দায়ি করছেন।
আব্দুল্লাহ হিল কাফি